যশোর অফিস
যশোরের শহর, মণিরামপুর ও কেশবপুরে পৃথক তিনটি হামলার ঘটনায় এক স্কুলছাত্রসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এসব ঘটনায় পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও হামলাকারীদের শনাক্তে কাজ করছে।
শনিবার (১১ জুলাই) রাত পৌনে ১২টার দিকে যশোর শহরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের আসাদ গেটের সামনে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে নাঈমুল হাসান ওরফে চন্দন (২৭) নামে এক যুবককে মারধরের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০ থেকে ৪০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি, কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত থাকলেও তিনি আশঙ্কামুক্ত।
অন্যদিকে, মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের আটঘরা গ্রামে খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে লাঠির আঘাতে ইমরান হোসেন (২৫) আহত হন। পুলিশ জানায়, গ্রাম্য সালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিবেশী জাকির হোসেনের সঙ্গে ফের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লাঠির আঘাতে তিনি আহত হন। পরে তাকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে, রোববার (১২ জুলাই) সকালে কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মঙ্গলকোট বাজার-গোলাঘাটা সড়কে স্কুলে যাওয়ার পথে নবম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম হাসান (১৪)-কে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেলে আসা মুখোশধারী চার দুর্বৃত্ত। সিয়ামের বাম হাতের বাহু, ডান হাতের কনুইয়ের নিচে ও ডান হাতের তালুতে ছুরিকাঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, তিনটি ঘটনায়ই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলছে।