প্রথমবারের মতো পঞ্চাশ সদস্যের মন্ত্রিসভা নিয়ে যাত্রা শুরু করা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারে আসতে পারে বড় পরিবর্তন। আলোচনা চলছে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো ও দফতর পুনর্বিন্যাস নিয়েও। এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ জনে। এবারেরটাও ধীরে ধীরে বাড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, এটা কোনো বিচিত্র ব্যাপার না, খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। মানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু তার মানে এই না যে, এটা হবেই বা এখন হবে কিংবা তখন হবে। এগুলো নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, তখন কাউকে দায়িত্ব দিতে পারেন বা কারও থেকে দায়িত্ব নিতে পারেন।
বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাশেদুজ্জামান মিল্লাত বললেন, কী হবে, তা আমরা জানি না। ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে, অনেকে মন্ত্রী হবেন, রদবদল হবে।
মন্ত্রিসভায় এখন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। একাধিক মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছে ৮ মন্ত্রী ও ৩ প্রতিমন্ত্রী। তাদের ওপর কাজের চাপ কমানো ও সরকারের কাজে গতিশীলতা আনতে আটজন নতুন মুখকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদে কারা যুক্ত হতে পারেন, সেই আলোচনায় আছেন সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, জয়নুল আবদিন ফারুক, এরশাদ উল্লাহ, বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সেলিমা রহমান এবং টেকনোক্রেট কোটায় মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মাহিদুর রহমান।