যশোরে শিয়াল-কুকুরের কারণে এক রাতে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা,আহত ৬

Share

যশোর অফিস 
যশোরে এক রাতেই শিয়াল ও কুকুরের কারণে অন্তত তিনটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন এবং পৃথক একটি সাইকেল দুর্ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) রাত থেকে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোররাত পর্যন্ত যশোর সদরের বিভিন্ন এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করা হয়েছে।
হাসপাতাল পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৯টার দিকে যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় রাস্তা পার হওয়া একটি শিয়ালের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে আহত হন বলরামপুর গ্রামের মেজবাউলের ছেলে ইসমাইল (২৪)। তিনি ঢাকুরিয়া থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
একই রাতে রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের বীর নারায়ণপুর গ্রামীণ সড়কে দুটি বাইসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহফুজ (১৫) ও সোহানুর রহমান (১৮) আহত হন। মাহফুজ খেলা দেখতে পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিলেন, আর সোহানুর দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত মাহফুজের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন।
এদিকে একই রাতে যশোর শহরের বস্তাপট্টি এলাকায় কুকুরের তাড়া খেয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় সামি (১১) নামে এক শিশুকে একটি দ্রুতগতির ইজিবাইক ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত পৌনে দুইটার দিকে সদর উপজেলার মল্লিকপাড়া এলাকায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ফুটবল ম্যাচ দেখে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে একটি কুকুরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন জিহাদ হোসেন (২২) ও সায়মন মোল্লিক (২২)। তারা মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়লে তাদের সঙ্গে থাকা বন্ধুরা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোদা হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকদের মতে, দুজনই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
এক রাতে শিয়াল ও কুকুরের কারণে ধারাবাহিকভাবে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাতে মহাসড়ক ও গ্রামীণ সড়কে চলাচলের সময় চালকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Read more