স্টাফ রিপোর্টার:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক উপাচার্যের একান্ত সচিব আব্দুর রশিদ অন্বেষের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে উপাচার্যের পিএ পদে প্রায় ১৭ লাখ টাকার বিনিময়ে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আব্দুর রশিদ অন্বেষের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ওই নিয়োগ স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি ২০২০ সালে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ তোলেন এবং পরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
এছাড়া ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র ড্রাইভারকে অপমান ও লাঞ্ছনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার জেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ড্রাইভার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যা এখনো বিচারাধীন।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে আব্দুর রশিদ অন্বেষ উপাচার্যের একান্ত সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। একই সময় সাবেক উপাচার্যও পদত্যাগ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আব্দুর রশিদ অন্বেষের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা তার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আব্দুর রশিদ অন্বেষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শেষ কথা:
যবিপ্রবিতে আলোচিত এই ঘটনাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হচ্ছে।
যবিপ্রবির সাবেক ভিসির একান্ত সচিব আব্দুর রশিদ অন্বেষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও নানা অভিযোগ
Share
Read more