যশোর অফিস
যশোর সদর উপজেলার ওসমানপুর গ্রামের একটি মাছের ঘেরে বিষ (গ্যাস ট্যাবলেট) দিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। ঘেরে মালিক পঁাচবাড়িয়া গ্রামের ইকরামুল হুসাইন গত সোমবার দুপুরে মামলাটি করেন।
এজাহারে অজ্ঞাত আসামি করা হলেও সন্দেহভাজন চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইকরামুলের ধারনা ওই চারজন তার ঘেরের পানিতে গ্যাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ হত্যা করতে পারে।
সন্দেহভাজনরা হলো, ওসমানপুর গ্রামের আকতার হোসেনের ছেলে রাসেল (৩৮), শামছুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৫), অশোক সরকারের ছেলে কিশোর সরকার (৩৫) এবং মুনতাজ আলীর ছেলে শান্ত হোসেন (২৫)।
এজাহারে তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি ও তার বন্ধু বাহাদুরপুর গ্রামের আনিচুর রহমান (৪৮) যৌথভাবে ওসমানপুরগ্রামের নিকসন মেম্বারের ৭ বিঘার একটি ঘের লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন। গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ও নৈশ্য প্রহরী মিলন রাতে টর্চ মেরে দেখেন ঘেরের সব মাছ মরে ভেষে উঠছে। সাথে সাথে পানি দেখে বুঝতে পারেন কে বা কারা পানিতে গ্রাস ট্যাবলেট দিয়ে মাছ মেরে ফেলেছে। সব মিলিয়ে ঘেরে ২০ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা যায়। তিনি সন্দেহ করেন, উল্লেখিত চারজন চুরি করে ঘের থেকে মাছ শিকার করে। তাদের এই বিষয়ে নিধেধ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনার দিন অভিযুক্ত রাসেলের হাতে চবক ও ব্যাগ ছিলো। তাকে ঘেরপাড় থেকে চলে যেতে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়। এবং বলে ‘পঁাচবাড়িয়া গ্রাম থেকে এসে কি ভাবে মাছ চাষ করিস তা দেখে নেবো।’ এরপরই এই ঘটনা ঘটে। তিনি বিষয়টি এলাকার লোকজন এবং পুলিশকে জানান। কোতয়ালি থানায় পরদিন অভিযোগ দিলে পুলিশ সোমবার অভিযোগটি মামলা হিসাবে রেকর্ড করে।