বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালের অর্থোপেডিক আউটডোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তি মো. মেহেদী হাসান (২৮)। তিনি যশোর সদর উপজেলার বাউলিয়া ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম রেজাউল ইসলাম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডাক্তার দেখাতে আসা দুই গ্রাম্য নারীকে ভুল তথ্য দিয়ে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন মেহেদী হাসান। বিষয়টি হাসপাতাল পুলিশের নজরে এলে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরে তাকে আরএমও’র কাছে হস্তান্তর করা হলে প্রথমে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে মেহেদী হাসান ভিডিও স্বীকারোক্তিতে জানান, তিনি আর কখনো হাসপাতালে এসে দালালি করবেন না। সেই বিবেচনায় আরএমও তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেন। জবানবন্দিতে মেহেদী হাসান দাবি করেন, ডি এন এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের “রাশেদ স্যার” নামে প্রতিষ্ঠানের মালিক তাকে হাসপাতালে রোগী সংগ্রহের জন্য পাঠিয়েছিলেন।
এদিকে ঘটনার পর ডি এখন এ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ঘোপ নওয়াপাড়া রোড, যশোর কর্তৃপক্ষ এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. মেহেদী হাসানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কোনো প্রকার চাকরি, নিয়োগ, প্রতিনিধিত্ব, এজেন্সি, দালালি, কমিশনভিত্তিক কাজ বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, কেউ যদি তাদের নাম ব্যবহার করে রোগী সংগ্রহ, আর্থিক লেনদেন বা কমিশন দাবি করে, তবে তা বিশ্বাস না করার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার উপ পরীদর্শক (এসআই) দীনেশ বলেন আর এম ও সাহেবের মানবতার কারণে দালালের স্বীকারোক্তি নিয়ে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।