ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। এসব সেনাকে দিয়ে কয়েক সপ্তাহব্যাপী ইরানে স্থল হামলা চালানো হতে পারে। তবে এটি অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না।
ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, বিপাকে নেতানিয়াহুইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, বিপাকে নেতানিয়াহু
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্থল হামলার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে সেটি ‘যুদ্ধে নতুন ধাপ’ সৃষ্টি করতে পারে। যেটি মার্কিন সেনাদের জন্য যুদ্ধ শুরুর সময়ের চেয়ে আরও বেশি বিপজ্জনক হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, এই স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
তবে এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ড্রোন, মিসাইল এবং গুলির মুখে পড়তে পারেন বলে সতর্কতা দিয়েছেন এই কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটিকে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য এ স্থল হামলার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ হতে পারে। তবে আরেকটি সূত্র জানায়, এটি কয়েক মাস ধরে চলতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছেন।