যশোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবক আহত

Share

যশোর অফিস 
যশোরে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রথম মঙ্গলবার সকালে ঘটে যশোর খুলনা মহাসড়কের যশোর সদরের রাজারহাট বাজার এলাকায় অগ্রণী ব্যাংকের সামনে। এতে নিহত হন সেলিম হোসেন মোল্লা (৫০)। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের ফজলুর রহমান মোল্লার ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি প্রাইভেটকার থেকে নেমে রাস্তা পার হওয়ার সময় খুলনা থেকে কুষ্টিয়াগামী রুপসা পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর বেনাপোল সড়কের মালঞ্চি বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবক আহত হন। আহতরা হলেন সদরের নারাঙ্গালী গ্রামের মনসুর আলীর ছেলে আলামিন (২০)ও মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের মুক্তাপুর গ্রামের হৃদয় (২১)।
পুলিশ জানায়,হেলমেটবিহীন অবস্থায় মোটরসাইকেলযোগে যশোরের দিকে আসার সময় পিছন দিক থেকে অপর একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা দিলে তারা আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ট্রাকের চাপায় সুকুমার সরকার (৫০) নামে আরও একজন নিহত হয়েছেন। তিনি কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের মৃত সূর্য সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে কেশবপুর-চুকনগর-যশোর মহাসড়কের মধ্যকুল কালিতলা এলাকায় রাস্তার পূর্ব পাশ থেকে পশ্চিম পাশে যাওয়ার সময় একটি অজ্ঞাতনামা ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে তার ডান হাত ও ডান পা মারাত্মকভাবে ভেঙে যায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন ও কেশবপুর থানার পুলিশ এবং খর্নিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে বলে পরস্পর জানান।

Read more