৩০ আসনে ফল ‘জালিয়াতির’ অভিযোগ, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা জামায়াতের

Share

সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের প্রার্থীদের পরাজিত করতে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলটি বলছে, বিভিন্ন আসনে এগিয়ে থাকার পরও রহস্যজনক কারণে ফল পরিবর্তন করে তাদের প্রার্থীদের হারানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩০টি আসনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং আরও তথ্য সংগ্রহ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব যুবায়ের।

তিনি বলেন, আমরা যে তথ্যগুলো দিয়েছি, সেগুলো সম্পূর্ণ জেনুইন। অনেক আসনে প্রথম দিকে আমরা এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু পরে রহস্যজনকভাবে আমাদের এগিয়ে থাকা আসনগুলোতে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে।

এহসানুল মাহবুব যুবায়ের অভিযোগ করে বলেন, কিছু আসনে ১৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা না করে পরে একসঙ্গে ফল প্রকাশ করা হয়েছে এবং তখনই তাদের প্রার্থীকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ৮টা-৯টার মধ্যে প্রায় সব গণনা শেষ, কিন্তু কয়েকটি কেন্দ্রের ফল আটকে রাখা হয়। পরে সেই কেন্দ্রগুলোর ফল দেখিয়ে আমাদের হারানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবদুল মান্নান লিখিত ও নথিপত্র উপস্থাপন করে অনিয়মের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, অনেক কেন্দ্রের ফলাফলের কপিতে কোনো পোলিং এজেন্টের স্বাক্ষর নেই, কোথাও কার্বন কপি ব্যবহার করা হয়েছে, আবার কোথাও অজানা ব্যক্তির নাম পোলিং এজেন্ট হিসেবে লেখা হয়েছে।

 

Read more