ঢাকা টাওয়ার ডেস্ক :
আমি ক্ষমতায় থাকা আবস্থাতে ৭টা ভয়াবহ যুদ্ধ থামিয়েছি, সেক্ষেত্রে আমার নোবেল পাওয়া উচিত বলে দাবি করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড ট্রাম্প) তিনি উল্লেখ করেন বাণিজ্যের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত থামিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্প আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে তার ৭ টি যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব রয়েছে, যে কারণে এখন তার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত।
ট্রাম্পের থামানো ৭ টি যুদ্ধের প্রতিটির জন্যই আলাদা করে তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত বলে ও দাবি জানিয়েছেন ট্রাম্প, রবিবার এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে (এনডিটিভি) ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম গুলোকে।
শনিবার আমেরিকান কর্নারস্টোন ইনস্টিটিউটের ফাউন্ডার্স ডিনারে দেওয়া বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন এখন আমরা বিশ্ব মঞ্চে এমন কাজ করে সম্মান অর্জন করছি, যা আগে কখনো এমন সম্মান পাওয়া যায়নি।
আমরা শান্তি চুক্তি করছি, যুদ্ধ থামাচ্ছি। আমরা ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ থামিয়েছি, থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়ার যুদ্ধ থামিয়েছি, তিনি আরও বলেন, একবার ভারত আর পাকিস্তানের সংঘাতের কথা ভেবে দেখুন।
জানেন, আমি সেটা কীভাবে থামালাম? বাণিজ্যের মাধ্যমে, তারা বাণিজ্য করতে চায়। দুদেশের নেতাকেও আমি গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি, তবেই একবার দেখুন তো, কতগুলো যুদ্ধ আমরা থামিয়েছি- ভারত-পাকিস্তান, থাইল্যান্ড-কাম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান, কসোভো-সার্বিয়া, ইসরাইল-ইরান, মিসর-ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা-কঙ্গো।
সব মিলিয়ে ৬০℅ শতাংশ যুদ্ধ থেমেছে বাণিজ্যের কারণে।
ট্রাম্প আরও জানায়, ভারতের সঙ্গে যেমন বলেছিলাম- যদি যুদ্ধ চালাও তবে কোনো বাণিজ্য হবে না, আর মনে রেখো, তাদেরও পারমাণবিক অস্ত্র আছে।
এর পরই থেমে যায় তারা, ট্রাম্প বলেন, অনেকে তাকে বলেছে, যদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে পারেন তবে নোবেল পুরস্কার পাবেন।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলে, আমি বলি, তাহলে বাকি সাতটা কী? আমার তো প্রতিটির জন্য আলাদা করে নোবেল পাওয়া উচিত,
তারা বলল, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করলে পুরস্কার মিলতে পারে। আমি বললাম, আমি তো সাতটা থামিয়েছি, এটা তো মাত্র একটা— যদিও বড় যুদ্ধ এটা।
রাশিয়া-ইউক্রেন প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি ভেবেছিলেন এটি সমাধান করা সবচেয়ে সহজ হবে, কারণ তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে।
উল্লেখ যৌগ্য কারনেই কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে হতাশ হয়েছেন তিনি তবু কোনো না কোনো ভাবেই এই যুদ্ধও একদিন শেষ হবেই এমনটি আশা ও প্রত্যাশা করে তার বক্তব্য শেষ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
— ঢাকা টাওয়ার (২৪) ~ অনলাইন