মণিরামপুরে আটক যুবকদের সঙ্গে যুবদলের কোনো সম্পর্ক নেই: যশোর জেলা যুবদল

Share

যশোর প্রতিনিধি 
যশোরের মণিরামপুরে সম্প্রতি আটক হওয়া যুবকদের সাথে যুবদলের কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে যশোর জেলা যুবদল। একটি মহল দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। শনিবার বেলা দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন যশোর জেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম. তমাল আহম্মেদসহ নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে রানা বলেন,আমরা গত পহেলা আগস্ট বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারি মণিরামপুরে কিছু যুবক আটক হয়েছে। সংবাদে তাদের কয়েকজনকে যুবদল কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তারা যুবদলের কেউ নন এবং তাদের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুবদলের সম্পৃক্ততা নেই। তিনি আরও বলেন, আটক আবু সিনহা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সাইফুল ইসলাম পেশায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক,শামীমুর রহমান টুটুল মাছের আড়তের কর্মচারী, পলাতক ফয়সাল হুমায়ুন (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, মাদক কারবারি)। তার পিতা গাউসুল মুস্তাক মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। আটক অপরজন আলম খান। এ পাঁচজনের কেউই কখনো যুবদলের সদস্য ছিলেন না, এখনো নেই। অথচ তাদের যুবদল কর্মী হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। পাশাপাশি যেসব মহল এই মিথ্যা তথ্য গণমাধ্যমে সরবরাহ করেছে, তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক কবির হোসেন বাবু, আমিনুর রহমান মধু, নাজমুল হোসেন বাবুল, আরিফুল ইসলাম আরিফ, রবিউল ইসলাম রবি, কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরের গরুহাট মোড়ে আবাসিক হোটেল রজনী নিবাসে বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি খেলনা পিস্তল ও একটি ধারালো চাকুসহ চারজনকে আটক করে। অভিযোগ রয়েছে এ সময় হোটেল মালিক গাউসুল মোস্তাকের ছেলে ফয়সাল হুমায়ুন পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় শুরু হয়ে রাত একটায় এ অভিযান শেষ হয়। এ ঘটনায় হুমায়ুনসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

Read more