বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-তে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলকেই এগিয়ে রাখছে অপটার সুপারকম্পিউটার। ২৫ হাজার প্রাক-ম্যাচ সিমুলেশনের ভিত্তিতে করা পূর্বাভাসে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জয়ের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে ৬৯.৬ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মায়ামি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ড। সুপারকম্পিউটারের হিসাব অনুযায়ী, ম্যাচটি ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ১৮.২ শতাংশ, আর স্কটল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.২ শতাংশ।
প্রায় তিন দশক পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা হচ্ছে দুই দলের। সর্বশেষ ১৯৯৮ বিশ্বকাপে তাদের মুখোমুখি লড়াইয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার পরাশক্তি ব্রাজিল।
২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ১-০ ব্যবধানে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর কাছে একই ব্যবধানে হেরে যায় স্কটল্যান্ড। সে পরাজয়ের পরও বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন এখনও বেঁচে আছে স্কটল্যান্ডের।
শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে ইতিহাসের প্রথম জয় পেলে গ্রুপ ‘সি’-তে শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হবে স্কটল্যান্ডের। আর ড্র করতে পারলে তৃতীয় স্থানে থেকে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয়া নিশ্চিত হতে পারে। এমনকি হারলেও নকআউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে মায়ামিতে বড় ব্যবধানে হার এড়াতে হবে তাদের।
এদিকে গ্রুপ ‘সি’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল। সেলেসাওদের সামনে এখন গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষস্থান নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ ৩২-এ উঠতে ব্রাজিলের প্রয়োজন শুধু হাইতির বিপক্ষে মরক্কোর ফলাফলের সমান বা তার চেয়ে ভালো ফল করা।
তবে ইতিহাস ব্রাজিলকে সতর্কবার্তাও দিচ্ছে। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাদের সর্বশেষ তিনটি পরাজয়ই এসেছে তৃতীয় ম্যাচে, যার মধ্যে কাতার বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিপক্ষে ১-০ গোলের অপ্রত্যাশিত হারও রয়েছে। ফলে রাতে উজ্জীবিত স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কোনোভাবেই আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই সেলেসাওদের।
তবে সেলেসাওদের সবচেয়ে বড় আশার কথা, এই ম্যাচ দিয়ে মাঠে ফিরছেন মহাতারকা নেইমার। কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, চোটের কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ মিস করা সান্তোস তারকা স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিট আছেন।