হরমুজ প্রণালির পর বন্ধের ঝুঁকিতে সুয়েজ খালও

Share

ইরান যুদ্ধের পর থেকে কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি। এর জেরে ক্রমাগত বাড়ছে জ্বালানির দাম। অন্যদিকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য প্রণালিটি খুলে দিতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানও জানিয়েছে, শত্রুদের জন্য নৌপথটি বন্ধ থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে সামনে এলো আরেক খারাপ খবর। বন্ধ হতে পারে সুয়েজ খালও। এমনটি করতে পারে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লোহিত সাগরে ত্রাস সৃষ্টি করা হুথি বিদ্রোহীরা চুপ ছিল। চলমান এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মৌখিক নিন্দা ও বিক্ষোভের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ ছিল। অবশেষে প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে হুথিরা। এর মাধ্যমে গোষ্ঠীটি সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল। আর এর ফলে ঝুঁকিতে পড়লো সুয়েজ খালও। এমনটাই জানিয়েছেন দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি।

আল-জাজিরাকে অধ্যাপক এলমাসরি বলেন, হুথিদের যথেষ্ট শক্তি রয়েছে, তা আমরা গত আড়াই বছরে দেখেছি। তারা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা করতে পারবে। এমনটি হলে লোহিত সাগরে প্রবেশের পথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত সুয়েজ খালের কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, এসব নৌপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, এটি সেদিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

হুথিদের ধারাবাহিক হামলা ইসরায়েলের জন্য মাথাব্যথার কারণ হবে জানিয়ে এলমাসরি বলেন, কারণ তারা পুরোপুরি অপ্রতিরোধ্য নয়। হুথির আক্রমণ ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। গত কয়েক সপ্তাহে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে প্রবেশ করেছে। এখন যদি ইয়েমেন থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধেও তাদের কাজ করতে হয়, তাহলে তাদের জন্য পরিস্থিতি হবে আরও জটিল।

Read more