ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিরা। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা এই ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে হুথিদের এটি প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। খবর বিবিসির।
আইডিএফ টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডের দিকে নিক্ষিপ্ত একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। এই হুমকি মোকাবিলায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর এক মুখপাত্রের ঘোষণার পরই এই হামলার ঘটনা ঘটলো। এর আগে হুথিরা সতর্ক করেছিল যে, ইরানে হামলা অব্যাহত থাকলে তারাও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রবেশ করবে।
হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে হুথি জানিয়েছে, ইরান, লেবানন, ইরাক এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে তারা ‘ইসরায়েলের সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে’ একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর (ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর হুথি অংশ) মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, অন্যান্য যেকোনো দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিলে, লোহিত সাগরকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান এবং যেকোনো মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের শত্রুতামূলক অভিযান চালানোর জন্য ব্যবহার করা হলে, ইরানের বিরুদ্ধে উত্তেজনা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা থাকলে ‘সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের জন্য আমাদের আঙুল ট্রিগারে আছে’।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান, ফিলিস্তিন, ইরাক ও লেবাননের বিরুদ্ধে আমেরিকান ও ইসরায়েলি শত্রুদের অব্যাহত আগ্রাসনের জবাব দেবে।