বিশেষ প্রতিনিধি
যাশোরে ৪নং নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তালবাড়িয়া দক্ষিণ পাড়ায় গড়ে উঠছে পরিবেশ বিনষ্টকারী ভেজাল মাবিল কারখানা ও ভেজাল দস্তা উৎপাদন কথিত সার কারখানা। আর এই দু’টি ব্যবসার হোতা সামাউল ইসলাম ইমন সব সময় থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। বছর কয়েক পূর্বে ইমনের ভেজাল দস্তাসার তৌরী কারখানায় অভিযান চালিয়ে র্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লাখ টাকা জরিমানা ধার্য্য করে তা আদায় করলেও তারপর থেকে সুকৌশলে তার অবৌধ্য ভেজাল দস্তা উৎপাদন তৌরীর কারখানা এবং ভেজাল মাবিল উৎপাদনের কারখানা ব্যবসা চালিয় যাচ্ছে। ইমনের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী অতি গোপনে তার অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহল অভিযোগ দিয়েও তারা কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। ফলে ইমন তার ব্যবসা অপ্রতিরাধ্ ভাবে চালিয় যাচ্ছে।
এলাকাবাসীদর অভিযোগে জানাগেছে,সদর উপজেলার তালবাড়িয়া দক্ষিণপাড়ার মোশারফ হোসেনের ছেলে সামাউল ইসলাম ইমন তার বাড়ির অদূরে পাকা সড়কের পাশে গড়ে তুলেছে ভেজাল মাবিল কারখানা। তার কারখানার পাশে বসতি বাড়ি রয়েছে। কারখানায় ইমনের কর্মচারীরা পোড়া মবিল জালানোর সময় পাশের বাড়ির বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা ভয়ে কোন কিছু বলতে বা করতে সাহস পায়না। ভেজাল মাবিল কারখানার সামনে ইমনের নিজস্ব পুকুর মাবিলের ডাষ্ট (ময়লা) ফেলে গোটা পুকুরের পানি পোড়া মাবিলের কারনে সম্পূর্ন বিনষ্ট হয়ে পড়েছে। যা পরিবেশের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ন বলে সূত্রগুলা দাবি করছেন। ইমনের ভেজাল মাবিল কারখানা করে একদিক এলাকাকে ঝুঁকির মধ্য ফলেছে । অন্য দিকে ভেজাল দস্তা সার কারখানা খুলে কৃষকের সাথে প্রতারণায় লিপ্ত হয়েছে। তার ভেজাল কারখানা তাল বাড়িয়া গ্রামের বিভিন্ন পয়েন্টে গড়ে তুলেছেন। তার সার কারখানার বন্ধ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দারস্ত হতে হয়। তার কারনে ইমনের ভেজাল দস্তা উৎপাদন কারখানা যেখানে সেখানে গড়ে তোলে। সূত্রগুলা জানিয়েছেন,যশোর সদর উপজেলার কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইতিপূর্ব তার ভেজাল দস্তা সার কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১লাখ টাকা অর্থ দন্ড করার পাশাপাশি সিল গালা করে দিলেও সীলগালা উপেক্ষা করে পুনরায় অবৈধভাবে দস্তা সার কারখানা গড়ে তোলে। তার ভেজাল সার কারখানায় উৎপাদনকৃত ভেজাল সার মাটির জন্য ক্ষতিকারক তার সার অতি সুকৌশলে ঘুরুলিয়া,জোত হাশিমপুর ও তাল বাড়িয়া এলাকায় কতিপয় যুবকের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলা শহরে বিক্রি করে থাকে।
সূত্রগুলা দাবি করছেন, সামাউল ইসলাম ইমন ভেজাল মাবিল কারখানা ও ভেজাল দস্তা সার কারখানা খুলে কোটিপতি বনে গেছেন। সে তৎকালীণ সরকারের আমলে বহাল তবিয়তে ভেজাল কারবার চালিয়েছে। ইমন ভেজাল কারবার করে নিজে লাভবান হলও পরিবেশের জন্য দারুন ক্ষতিকর। সূত্রগুলা আরো জানিয়েছেন, টাকার পিছনে ছুটে বেড়িয়ে আজ কোটিপতি বনে গেছেন। তার ভেজাল দু’টি কারখানার কারনে ওই এলাকার বাসিন্দারা চরমভাবে ক্ষুব্দ। সে পরিবেশ বিনষ্ট করে নিজে ব্যবসা করে অপরকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গত বছরের ৫ আগষ্টের পর সে কিছুদিন গা ঢাকা দিলেও আবার গা ঝাড়া দিয় পুরা দমে তার অবৈধ কারবার চালিয় যাচ্ছে।
এ ব্যাপার সামাউল ইসলাম ইমনর মুঠো ফোনে রিং করে তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করলেও সে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হলোনা। তার এই কারবারের কোন বৈধতা নেই । তাই অবিলম্বে তার ভেজাল কারবার বন্ধের জন্য যশোরের জলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসীরা। #