যশোরে মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা

যশোর প্রতিনিধি
শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার নামে এক নারীকে মারপিট এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় ৪জনের নামে আদালতে দায়ের করা পিটিশন কোতয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি শহরের পূর্ববারান্দী পাড়ার হাফিজুর রহমানের স্ত্রী। আসামিরা হচ্ছে, যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর নুরীতলা মোড়ের মৃত ফারুক হোসেনের ছেলে জাবেদ রেজা , তার স্ত্রী সুলতানা বেগম, ঝুমঝুমপুর পাঁকার মাথা এলাকার মৃত মোকাম্মেল হোসেনের ছেলে সুদ্ধ মিয়া এবং বাউলিয়া গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে মিলন হোসেন ।
মামলায় ফারজানা উল্লেখ করেন, আসামিরা মাদক ব্যবসায়ী। ব্যবসায় বাঁধা দেয়ার কারনে তাদের মধ্যে শত্রুতা তৈরি হয়। সে কারণে তিনি বা তার পরিবারের লোকজন হামিদপুরে বসবাস না করে শহরের বারান্দীপাড়ায় বসবাস করেন। গত ১৮ এপ্রিল সকাল ১০টায়  তিনি ও তার বোন, ভগ্নিপতি ও বোনের মেয়েকে নিয়ে হামিদপুরে যান সিএসএস নামক এক সংস্থা থেকে নেয়া ঋণ পরিশোধ করার জন্য। সে সময় আসামিদের বাড়ির মধ্যে ঢুকলে আসামিরা তাদের দিকে তেড়ে আসে এবং এলোপাতাড়ি মারপিট করে। তার বোন ও ভগ্নিপতিকে মারপিট  পূর্বক জখম করে। আসামিরা বাঁশ দিয়ে মারপিটে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। সে সময় গৃহবধূর গলায় থাকা ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের চেইন এবং ৪৬ হাজার ৪শ’ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া নগদ ৫৭ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। বোরকার কাপড় টেনে হিজড়ে শ্লীলতাহানী ঘটনায়। তাদের চিৎকারে আশেপাশে লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ফের হত্যার হুমকি সরে যায়। পরে তিনি ও তার সাথে থাকা লোকজন হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন।  চিকিৎসা নেওয়ার পর কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করতে এলে থানা মামলা নিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে উপায়ূন্তর না পেয়ে আদালতে পিটিশন দায়ের করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারকের নিদের্শে কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন।